গ্যাস্ট্রিক ,আলসার ,লিভার রোগের কারণ লক্ষণ এবং চিকিৎসা সম্পূর্ণ বিশ্লেষণ
🔎গ্যাস্ট্রিক আলসার কি?
গ্যাস্ট্রিক আলসার হল পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে ক্ষত বা ঘা তৈরি হওয়া। এই ঘা গুলি সাধারণত পাকস্থলীর এসিড বা হেলিকপ্টার পাইলোরি h pylori নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে
| লক্ষণ : |
|---|
- উপরের পেটের ব্যথা বিশেষ করে খালি পেটে
- বুক জ্বালাপোড়া
- বমি বমি ভাব
- ক্ষুধামন্দা
- লবণযুক্ত বমি বা মলের রং কালো হয়ে যাওয়া গভীর সমস্যা হলে
লিভার রোগ :
লিভার বা যকৃতি আমাদের শরীরে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা রক্ত বিশুদ্ধ করতে সহায়তা করে এবং শরীরের টক্সিন দূর করে। লিভারের রোগ সাধারণত হেপাটাইটিস ভাইরাস ,অ্যালকোহল উপযুক্ত খাদ্য অভ্যাস বা ওষুধের প্রতিক্রি হয়ে থাকে
লিভার রোগের সাধারণ ধরন:
- হেপাটাইটিস A,B,C
- ফ্যাটি লিভার (NFLD)
- সিরোসিস বা লিভারের কোষ ক্ষয়
- লিভার ক্যান্সার
লক্ষণ :
- জ্বর বা দুর্বলতা
- চোখ ও চামড়ায় হলুদে ভাব (জন্ডিস)
- পেটে ফোলা ভাব
- বমি ভাব বা ক্ষুধা মন্দা
- পায়খানার রং সাদা বা ছাই মত হওয়া
- হাত পা ফুলে যাওয়া
গ্যাস্ট্রিক লিভারের পরীক্ষা গুলো :
- এন্ডোস্কোপি
- H-pylori টেস্ট
- লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT)
- আল্ট্রাসনোগ্রাম
- Hbs Ag- Anti-HCV
চিকিৎসা ও প্রতিকার :
- গ্যাস্ট্রিক আলসারের জন্য ,
- PPI ওষুধ (যেমনঃ Omeprazole, Esomeprazole
- H2 blocker যেমন ranitidine
- ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের জন্য antibiotic
- খাদ্য অভ্যাস পরিবর্তন নিয়মিত খাওয়া ঝাল এড়ানো )
লিভার রোগের জন্য :
- হেপাটাইটিস অনুযায়ী antiviral চিকিৎসা
- চর্বিযুক্ত খাবার এড়ানো
- অ্যালকোহল সম্পূর্ণ বন্ধ
- ওজন নিয়ন্ত্রণ
- পর্যাপ্ত পানি পান করা
- চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত লিভার ফাংশন পরীক্ষা করা
যে ভুল এড়াতে হবে :
- গ্যাস্টিকের ব্যথা হলে যে কোন ব্যাথা নাশক সেবন করা যাবে না
- নিজে থেকে এন্টিবায়োটিক শুরু করা যাবে না
- ডায়েট বা ঔষধ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া বা বন্ধ করা যাবে না
- লিভার সমস্যা সত্বেও অ্যালকোহল বা ফাস্টফুড খাওয়া যাবে না
কিছু স্বাস্থ্য টিপস :
- সকালে খালি পেটে আদা গরম পানি পান করুন
- প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করুন
- ফল ও সবজি বেশি খান
- দেরিতে রাতে খাবার খাবেন না
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাবেন না
শেষ কথা :
গ্যাস্ট্রিক আলসার এবং লিভার রোগ ধীরে ধীরে শরীরের বড় ক্ষতি করতে পারে যদি সময় মতো চিকিৎসা নেয়া হয় এবং খাদ্য অভ্যাস, নিয়ম মেনে জীবন যাপন ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা থাকলে এগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব
মাথা ব্যাথা কোমর ব্যাথা হাঁটু ব্যথা করণীয়
.jpeg)
Comments
Post a Comment